2016

প্রশ্ন ০২ : আল্লাহ্‌ পাক নারীদের প্রতি জুম‘ আর জামা’আত ও ঈদগাহে হাজির হয়ে নামায পড়া ফরয বা ওয়াজিব করেননি। কিন্তু রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমলে নারীরা এতে হাজির হয়ে নামায পড়তেন। তিনি এতে নিষেধও করেননি এবং আদেশও দেননি। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে নারীদের মাঝে বিলাসিতা ও লজ্জাহীনতা দেখা দেয়ার কারণে দ্বিতীয় খলীফা ওমর (রা.) তা নিষেধ করে দেন এবং তখন হতে যুগু যুগ ধরে তা বন্ধ। কিন্তু এখন দেখা যায় কিছু কিছু নারী জুম‘ আর জামা’আতে, তারাবী ও ঈদগাহে হাজির হয়ে নামায পড়ে। আমার প্রশ্ন এটা কি জায়েয? এসব নারীদের বা যারা এ রকম প্ররোচনা দিচ্ছে তাদের কি বা গুনাহ হবে?

উত্তর : ওমর (রা.) নারীদেরকে মসজিদে যেতে নিষেধ করেছেন কথাটি সঠিক নয়। বরং বলা যায় যে, তিনি তা আশা করেছিলেন। কিন্তু  রাসূলুল্লাহ্ ‌  সাল্লাহু...

R B 30 Jan, 2016

প্রশ্ন ৫২২: ১৯৯৪ সালে আমার বাবা ও ২০০১ সালে আমার মা দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন। যখনই আমি ইবাদাত বন্দেগী করি তখনই তাদের মাগফিরাতের জন্য দু‘ আ করি। এছাড়াও বাড়তি লোকের দু‘ আর জন্য প্রতি রমাযান মাসে কুরআনে হাফেজ দ্বারা খতমে কুরআন ও মসজিদের হুজুর দ্বারা ইফতার মাহফিল বা বড় ধরনের খানার আয়োজন করি এবং বহু লোকজন দাওয়াত করি ওনাদের মুক্তি কামনায় দু‘ আ করার জন্য। ইফতার পাটির্ ও খানার আয়োজন না করলে মুসল্লি − ও অন্যান্য রোযাদার লোকজন আসতে চান না। এখন তারা এসে যে দু‘ আ করেন সে দু‘ আ করলে আমার বাবা-মার কি কল্যাণ হবে বা হাফেজে কুরআন দ্বারা কুরআন খতম ও রোযাদার মুসল্লি দ্বারা দু‘ আ করালে সে সাওয়াব আমার বাবা-মা পাবেন কি? এ কাজ কতটুকু যুক্তিযুক্ত হাদীসের আলোকে জানালে উপকৃত হবো।

উত্তর : আমরা বিভিন্ন সময় বলে আসছি এবং অবগতির জন্য আবারও বলছি যে রাসূলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু  ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসব বিষয়ে যে আদর্শ  রেখে গেছ...

R B 30 Jan, 2016

প্রশ্ন- ৪৪৮: রোযাদার ব্যক্তিকে হাতের রোযা, মুখের রোযা, নাকের রোযা, কানের রোযা ইত্যাদি আদায় করতে হয় বলে শুনেছি। এর সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই।

উত্তর : এটার অর্থ হতে পারে সবকিছুরই জবাবদিহিতা আছে । কুরআনের ভাষ্য হলো , হাত - নাক - কান এগুলোর জবাবদিহিতা আছে । পবিত্র কুর...

R B 28 Jan, 2016